পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

”যে বইটি দিয়ে সংস্কৃত শেখা শুরু করবেন (pdf সহ)“

ছবি
অনেকেই প্রশ্ন করেন সংস্কৃত ভাষা শিখব কিভাবে। আবার অনেকেই বুঝে উঠেন না কোন বই দিয়ে শুরু করবেন। তার উপর সংস্কৃত বিষয়ক বইয়ের সহজলভ্যতাও নেই। আজকে সংস্কৃত ভাষা শেখার জন্য যে বইটি সর্বপ্রথম দরকার সেটি নিয়ে আলোচনা করবো। বইটি হলো- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ''সমগ্র ব্যাকরণ কৌমুদি'' ( #PDF লিংক নিচে) এই বইটি পড়লে সংস্কৃতের বেসিক ধারনা পাবেন। শব্দরূপ, ধাতুরূপ, সন্ধি প্রভৃতি কয়েকটি অধ্যায় খুব সহজে বুঝতে পারবেন। বেসিক জানার জন্য এগুলোই পড়তে হবে। তবে সমাস, প্রত্যয়, কারক প্রভৃতি অধ্যায়গুলো বুঝতে বেশ অসুবিধা হবে। কারণ বইটি সাধু ভাষায় লিখিত এবং উদাহরণগুলোও বেশ প্রাচীন সেইসাথে দেবনাগরী হরফেও অনেক কিছু লেখা আছে। সেজন্য আরো সরলীকৃত বই প্রয়োজন হবে। সে বইগুলো সম্পর্কে জানতে নিচের লিংকে প্রবেশ করুন। অনেকেই বিভিন্ন শব্দের শব্দরূপ বা ধাতুরূপ জানতে চান। PDFটি তাদের সেই চাহিদা পুরণ করবে বলে মনে করছি। যারা হার্ডকপি কিনতে চান তারা আমাদের ফেসবুক পেজ থেকে কিনতে পারবেন। লিংক নিচে দিয়ে দিলাম (শুধুমাত্র বাংলাদেশে)। PDF লিংক "সংস্কৃত ভাষা শেখার জন্য কিছু বইয়ের নাম" আমাদের ফেসবুক পেইজ ভিজিট করু...

”রমনা কালী মন্দির : অতীত ও বর্তমান”

ছবি
  রমনা কালী মন্দির ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত হিন্দু মন্দিরসমূহের মধ্যে অন্যতম ছিল।এটি রমনা কালীবাড়ি নামেও পরিচিত। এটি প্রায় এক হাজার বছরেরও পুরাতন বলে বিশ্বাস করা হয় কিন্তু ইংরেজ আমলে এই মন্দিরটি আবার নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছিল ।বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রমনা পার্কের (যার বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বহির্ভাগে অবস্থিত।বর্তমানে বাংলার সংস্কৃতিতে এ মন্দিরের উল্লেখ্য ভূমিকা আছে। জনশ্রুতি, প্রায় ৫০০ বছর আগে বদরীনাথের যোশীমঠ থেকে গোপালগিরি নামে এক উচ্চমার্গের সন্ন্যাসী প্রথমে ঢাকায় এসে সাধন-ভজনের জন্য উপযুক্ত একটি আখড়া গড়ে তোলেন। সেখানেই আরও ২০০ বছর পরে মূল রমনা কালীমন্দিরটি নির্মাণ করেন আর এক বড় সাধু হরিচরণ গিরি। তবে পরবর্তী সময়ে এই মন্দিরের প্রধান সংস্কারকার্য ভাওয়ালের ভক্তিমতী ও দানশীলা রানি বিলাসমণি দেবীর আমলেই হয়। ১৯৭১ সালের ২৬ ও ২৭ মার্চ। এই দুটো দিন রমনা কালীমন্দিরের পবিত্র ভূমি ঘিরে পাকিস্তানি সেনারা যে বিভীষিকার রাজত্ব তৈরি করেছিল তার করুণ কাহিনি ইতিহাসের পাতায় চিরদিন লেখা থাকবে। এক তীর্থভূমি রাতারাতি পরিণত হয়েছিল বধ্যভূমিতে। রমনা কালীমন্দিরের অধ্যক্...

"সংস্কৃত ভাষা শেখার জন্য সহায়ক কয়েকটি বই"

ছবি
১. সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা : বাংলায় সংস্কৃত শিখতে চান তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের সম্মানিত শিক্ষক অধ্যাপক ড. অসীম সরকার স্যারের সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বইটি পড়ে দেখতে পারেন। ২. সংস্কৃত ভাষায় রূপান্তর প্রসঙ্গে: আপনি যদি নিজে নিজে ঘরে বসে বাংলা বা ইংরেজি থেকে সংস্কৃতে অথবা সংস্কৃত থেকে বাংলায় অনুবাদ শিখতে চান তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের সম্মানিত শিক্ষক অধ্যাপক ড. অসীম সরকার স্যারের সংস্কৃত ভাষায় রূপান্তর প্রসঙ্গে বইটি পড়ে দেখতে পারেন। আশাকরি বইটি আপনাকে সহজ ভাষায় অনুবাদের বিষয়গুলো বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হবে। ৩. দশদিবসেষু সংস্কৃতং বদতু: প্রাথমিকভাবে সংস্কৃত শিখতে ও বলতে এ বইটি আদর্শ হবে। ৪. সমগ্র ব্যাকরণ কৌমুদী: আশাকরি বইটি সম্পর্কে বিশেষ কিছু বলার প্রয়োজন হবেনা। বাঙালীদের সহজ ভাষায় ব্যাকরণ শেখাতে বইটি অগ্রদূত হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে। ৫. সংস্কৃত মঞ্জুষা:  বাংলায় সংস্কৃত সাহিত্য ও ব্যাকরণ জানার জন্য একটি অসাধারণ বই। সাহিত্য ও ব্যাকরণ মিলে বইটি তিন খণ্ডে বিভক্ত। বইটি লিখেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত অধ্যাপক ড. নিখিল রঞ্জন বিশ্বাস। ৬. সংস্কৃত বাংলা অভিধান: সংস্...

" সংস্কৃত কেন আজকের দিনে কথ্য ভাষা নয়?"

ছবি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজও সংস্কৃত অনার্স পড়নো হয়। দক্ষিণের কিছু ঘরে আজও কথিত হয় এই ভাষা। তবুও তা হয়তো অন্য ভাষার জনপ্রিয়তার সঙ্গে গণনায় আসে না। আজকের দিনে সংস্কৃত ভাষা ভাবপ্রকাশের মাধ্যম হল না কেন— এই বিষয় বহু বিতর্ক হয়েছে। নানা প্রশ্নের ভিড় উঠে আসে। পাণিনির অবিস্মরণীয় প্রয়াসে সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণ লিখেছিলেন। ভাষা হয়েছিল ততোধিক সমৃদ্ধ। পতঞ্জলিও তাঁর মহাভাষ্যে এই কথাই বলে গিয়েছেন যে, সংস্কৃত ভাষাকে সুবিন্যস্ত করে তোলাই ছিল পাণিনীয় ব্যাকরণের কাজ। উচ্চশিক্ষিত সম্প্রদায়, ভারতীয় সংস্কৃতির ধারক বাহকগণ, মুনি-ঋষি-পুরোহিতবর্গ সংস্কৃত ভাষাতেই ভাবপ্রকাশ করতেন। কিন্তু কথ্য ভাষায় নানা পরিবর্তন এসেছে। সংস্কৃত ভাষাতেও বহু আঞ্চলিক শব্দের প্রভাব পড়ে ভাষার রূপকে বদলেছে। আসলে বাস্তব সমাজের নিরিখে বলা যেতে পারে, ভাষা পরিবর্তনশীল। মানুষের কথনভঙ্গি ও শ্রবণ ক্ষমতার মধ্য দিয়েই ভাষার নিয়ত বিবর্তনের ধারা বয়ে চলে। আমরা দুঃখ, বেদনা, চাহিদা, উচ্ছ্বাস ইত্যাদির প্রকাশ যখন করি তখন চেষ্টা করি তা সহজ থেকে সহজতর করে উপস্থাপনা করতে। কারণ তার ফলে যেমন বক্তার সহজ প্রকাশ হয়, তেমন গ্রহীতার সহজবোধ্য গ্রহণ সম্ভব। আর এই ভাষার মাধ...

" সংস্কৃত কি ও কেন পড়বেন?"

ছবি
অনেকের একটা ভ্রান্ত ধারণা আছে—সংস্কৃত একটা ভাষা। কিন্তু না সংস্কৃত শুধুই একটা ভাষা না এটা ভারতীয় জাতিসত্তার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। এর রস একটু পান করে দেখুন আনন্দে বুঁদ হয়ে যাবেন। আমাদের প্রিয় কবি জীবনানন্দ দাশ যেমন বলেছিলেন— "বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি পৃথিবীর মুখ খুঁজিতে চাই না আর" তেমনি আপনিও বলবেন— "সংস্কৃতের রস আমি পান করিয়াছি , অন্য রস খুঁজিতে চাই না আর।" অন্য সকল জাতির পূর্বপুরুষেরা যখন বনে-বাদাড়ে ঘুরে ঘুরে বেড়াতেন, তখন আমাদের পূর্বপুরুষেরা পৃথিবীর সর্বপ্রথম সাহিত্য ও দর্শনের উন্নত গ্রন্থ বেদ লিখে ফেলেছেন। গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, জ্যোতিষশাস্ত্র, চিকিৎসাশাস্ত্র প্রভৃতির অনেক উন্নত চর্চা আমাদের মুনিঋষিরা করে গেছেন। পৃথিবীর সর্বপ্রথম ভাষাতত্ত্বের ও ব্যাকরণের গ্রন্থ আমাদের মনীষীদেরই রচনা। আচার্য পাণিনির ব্যাকরণ কতটা scientific এবং গুরুত্বপূর্ণ তা নিচের মতামতগুলো পড়লেই বুঝতে পারবেন--- ‘---the grammar of Panini—is one of the greatest monuments of human intelligence.’’ (Leonard Bloomfield) —the earliest scientific work in any language any Indo-European language.’’ (Prof. R.H. Rob...

"সংস্কৃতে সময় ‌বলা শিখুন"

ছবি
সংস্কৃতে সময় ‌বলা শিখুন: অধুনা কঃ সময়ঃ? (এখন সময় কত?) ১ঃ০০= একবাদনম্। ১ঃ১৫= সপাদ একবাদনম্। ১ঃ৩০= সার্ধ একবাদনম্। ১ঃ৪৫= পাদোন দ্বিবাদনম্। এই চারপ্রকার সময়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম। অন্যান্য ক্ষেত্রে ১ঃ১০= দশ-অধিক-একবাদনম্। ১ঃ১১=একাদশাধিক-একবাদনম্। এভাবে চলতে থাকে পাদোন এর পূর্ব পর্যন্ত। পাদোনোর পর থেকে ঊন ব্যবহার করতে হবে।যেমনঃ ১ঃ৫০ = দশ-ঊন-দ্বিবাদনম্। ১ঃ৫৫= পঞ্চ-ঊন-দ্বিবাদনম্। এভাবে অন্যান্য সময়ের ক্ষেত্রেও হবে। ২- দ্বিবাদনম্ ৩-ত্রিবাদনম্ ৪-চতুর্বাদনম্ ৫-পঞ্চবাদনম্ ৬-ষডবাদনম্ ৭-সপ্তবাদনম্ ৮-অষ্টবাদনম্ ৯-নববাদনম্ ১০-দশবাদনম্ ১১-একাদশবাদনম্ ১২-দ্বাদশবাদনম্। 👫 শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন। আপনার মূল্যবান মতামতের অপেক্ষায়। নিজে জানুন অন্যকে জানান। আমাদের ফেসবুক পেইজ ভিজিট করুনঃ সংস্কৃত ভাষা

"অব্যয় দিয়ে বাক্য গঠন" পর্ব - ২

ছবি
 পর্ব - ২ অব্যয় দিয়ে বাক্য গঠনঃ কতি – তব কতি পুস্তকানি সন্তি। কৃতে(জন্যে) – মম কৃতে তব অয়ং প্রয়াসঃ। তুষ্ণীম্‌(শান্ত) – বৎস! তুষ্ণীং ভব। ধিক – কৃপনং ধিক। নিতরাম্‌(অত্যন্ত) – স নিতরাং সুখী অভবৎ। পশ্চাৎ - পিতুঃ পশ্চাৎ পুত্রঃ গচ্ছতি। পৃথক্‌ - পাপাৎ পুণ্যং পৃথক্‌। পৃষ্ঠতঃ – মম পৃষ্ঠতঃ সারমেয়মস্তি। প্রভৃতি(হতে) – অদ্য প্রভৃতি অভ্যাসং কুরু। ইব(ন্যায়) – তস্যা মুখং চন্দ্র ইব। ইতি – অযোধ্যানগরে দশরথঃ ইতি খ্যাতঃ রাজা আসীৎ। অন্তঃ(মধ্যে) – কোষস্য অন্তঃ ধনম্‌ অস্তি। অগ্রতঃ(সম্মুখে) – গৃহস্য অগ্রতঃ বিদ্যালয়ম্‌ অস্তি। নানা(ব্যাতিত) – জ্ঞানং/জ্ঞানেন/জ্ঞানাৎ নানা সুখং নাস্তি। আয়ুষ্য – দেবদত্তায় দেবদত্তস্য বা আয়ুষ্যং ভবতু। মদ্র(মঙ্গল) – মদ্রং কৃষ্ণায় কৃষ্ণস্য বা ভূয়াৎ। ভদ্র(মঙ্গল) – ভদ্রং রামায় রামস্য বা ভবতু । কুশল – তব কুশলং ভবতি। হেতু – কঃ হেতু তে আগতাঃ। মনাক্‌(ইষৎ) – দেহি মে মনাক্‌ জলম্‌। বহিঃ – গ্রামাদ্‌ বহিঃ। অকস্মাৎ - অকস্মাৎ বৃষ্টির্ভবতি। অচিরম্‌ - অচিরমেব গৃহং যাস্যামি। অঞ্জসা – অঞ্জসা গৃহং গচ্ছ। অয়ি/অরে(ওহে) – অয়ি মাতঃ। সকৃৎ(একবার) – সকৃৎ কন্যা প্রদীয়তে। খলু(নিশ্চিৎ) – অমৃতং খলু তে বচনম্‌।...

"অব্যয় দিয়ে বাক্য গঠন" পর্ব - ১

ছবি
 পর্ব - ১ অব্যয় দিয়ে বাক্য গঠন: অন্তরা(মধ্যে) – স ত্বাং মাং চ অন্তরা উপবিষ্টঃ। অন্তরেণ(ব্যতিত) – শ্রমম্‌ অন্তরেণ বিদ্যা ন ভবতি। অভিত(সামনে) – বিদ্যালয়ম্‌ অভিত উদ্যানম্‌ অস্তি। পরিত(চারদিকে) – পর্বতং পরিত বনম্‌ অস্তি। সর্বত(সকল দিকে) – উদ্যানং সর্বত বৃক্ষাঃ সন্তি। নিকষা(নিকটে) – গ্রামং নিকষা নদী প্রবহতি। প্রতি – দরিদ্রং প্রতি দয়াং কুরু। ধিক – দেশদ্রোহিনং ধিক। যাবৎ(পর্যন্ত) - নদীং যাবত স গতঃ। বিনা – দুঃখং বিনা সুখং ন ভবতি। ঋতে(ব্যতিত) – জ্ঞানম্‌ ঋতে বৃথা জীবনম্‌। হীন(কম) – স বিদ্যায়া হীন। অলম্‌(নিষেধার্থে) – বিবাদেন অলম্‌। সহ – পিতা পুত্রেন সহ হট্টং গচ্ছতি। হিত(কল্যাণার্থে) – পুত্রায় হিত। নমঃ – গুরুবে নমঃ। সুখ – সাধবে সুখং ভবতু। স্বস্তি(মঙ্গলার্থে) – প্রজাস্যঃ স্বস্তি। আরাৎ(নিকটে/দূরে) – বনাৎ আরাৎ গ্রামঃ। সাধু(ভাল) – অমল ব্যাকরণে সাধুঃ। নিপুণ(দক্ষ) – স সাহিত্যে নিপুণঃ। প্রসিত(আসক্ত) – ধনী ধনে:/ধনেষু প্রসিতঃ। উৎসুক – অয়ং ছাত্রঃ বিদ্যায়া উৎসুকঃ। স্বামী(মালিক) – গবাং গোষু বা স্বামী। অধিপতি(রাজা) – দেবানাং দেবেষু বা অধিপতি। দায়াদ(উত্তরাধিকারী) – রাজাস্য রাজ্যে বা দায়াদঃ। সাক্ষী – বিব...