"বর্ণের উচ্চারণ স্থান"
১। সূত্র: "অ-কু-হ বিসর্জনীয়ানাং কণ্ঠঃ"
অর্থাৎ অ আ হ্ ক্ খ্ গ্ ঘ্ ঙ্ - এদের উচ্চারন-স্থান কণ্ঠ; এজন্য এদেরকে কন্ঠ্য বর্ণ বলে।
২। সূত্র: "ই-চু-য-শানাং তালু"
অর্থাৎ ই ঈ চ্ ছ্ জ্ ঝ্ ঞ্ য্ শ্ - এদের উচ্চারন-স্থান তালু; এজন্য এদেরকে তালব্য বর্ণ বলে।
৩। সূত্র: "ঋ-টু-র-ষানাং মুর্দ্ধা"
অর্থাৎ ঋ ঋৃ ট্ ঠ্ ড্ ঢ্ ণ্ র্ ষ্ - এদের উচ্চারন-স্থান মুর্দ্ধা; এজন্য এদেরকে মুর্দ্ধন্য বর্ণ বলে।
৪। সূত্র: "৯-তু-ল-সানাং দন্তাঃ"
অর্থাৎ ৯ ত্ থ্ দ্ ধ্ ন্ ল্ স্ -এদের উচ্চারন-স্থান দন্ত; এজন্য এদেরকে দন্ত্য বর্ণ বলে।
৫। সূত্র: "উ-পূপধ্মানীয়ানামোষ্ঠৌ।"
অর্থাৎ উ ঊ প্ ফ্ ব্ ভ্ ম্ - এদের উচ্চারন-স্থান ওষ্ঠ; এজন্য এদেরকে ওষ্ঠ্য বর্ণ বলে।
৬। সূত্র: "এদৈতোঃ কণ্ঠতালু"
অর্থাৎ এ ঐ এদের উচ্চারন-স্থান কণ্ঠ ও তালু; এজন্য এদেরকে কণ্ঠ-তালব্য বর্ণ বলে।
৭। সূত্র: "ওদৌতোঃ কণ্ঠোষ্ঠম্"
অর্থাৎ ও ঔ - এদের উচ্চারন-স্থান কণ্ঠ ও ওষ্ঠ; এজন্য এদেরকে কণ্ঠোষ্ঠ্য বর্ণ বলে।
৮। সূত্র: "বকারস্য দন্তোষ্ঠম্"
অর্থাৎ অন্তঃস্থ ব কারের উচ্চারন-স্থান দন্ত ও ওষ্ঠ; এজন্য এদেরকে দন্তোষ্ঠ্য বর্ণ বলে।
৯। সূত্র: "নাসিকানুস্বারস্য"
অর্থাৎ ং (অনুস্বার) এর উচ্চারন-স্থান নাসিকা; এজন্য এদেরকে অনুনাসিক বা নাসিক্য বর্ণ বলে।
১০। সূত্র: "ঞ-ম-ন-ণ-নানাং নাসিকা চ"
অর্থাৎ ঙ্ ঞ্ ন্ ণ্ ম্ - এরা জিহ্বামূল, তালু প্রভৃতি নাসিকাতে ও উচ্চারিত হয় এজন্য এদেরকে অনুনাসিক বর্ণ বলে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন