"বৈদিক ও সংস্কৃত সাহিত্যের কিছু শ্লোক"



👉 "ধর্মার্থং যস্য বিত্তেহা বরং তস্য নিরীহতা।

প্রক্ষালনাদ্ধি পঙ্কস্য দূরাদস্পর্শনং বরম্।।"
-মহাভারত: বনপর্ব। 
অনুবাদ: যিনি ধর্মের জন্য অর্থের চেষ্টা করেন, তার নিশ্চেষ্ট থাকাই ভাল। কারণ, কাদা লাগিয়ে তা ধোয়া অপেক্ষা, দূরে থেকে তা না লাগানোই ভাল।।

👉 "ঈশা বাস্যমিদং সর্বং যৎকিঞ্চ জগত্যাং জগৎ।

তেন ত্যক্তেন ভুঞ্জীথা মা গৃধঃ কস্যস্বিৎ ধনম্।। ১।"
অনুবাদ:- এই গতিশীল বিশ্বে যা কিছু চলমান বস্তু আছে তা ঈশ্বরের দ্বারা আচ্ছাদিত মনে করবে। ত্যাগের সঙ্গে ভোগ করবে, কারও ধনে লোভ করো না।।

👉 "নাসদসীন্নো সদাসীত্তদানীং
নাসীদ্রজো নো ব্যোমা পরো যৎ।
কিমাবরীবঃ কুহ কস্য শর্ম-
ন্নম্ভঃ কিমাসীদ্গহনং গভীরম্ ।।"
-পরমাত্মা সূক্তম্।
অনুবাদঃ-
সে সময় যা নেই তাও ছিল না,যা আছে তাও ছিল না। পৃথিবী ও ছিল না , অতি দূর বিস্তৃত আকাশও ছিল না । আবৃত করে এমন কি ছিল? কোথায় কার স্থান ছিল? দুর্গম ও গভীর জল কি তখন ছিল?"

👉 "ঔঁ অগ্নিমীড়ে পুরোহিতং যজ্ঞস্য দেবমৃত্বিজম্
হোতারং রত্নধাতমম্।।"
(অগ্নিসূক্ত - ঋগ্বেদ)
অনুবাদঃ অগ্নি যজ্ঞের পুরোহিত ও দীপ্তিমান ; অগ্নি দেবগণের আহ্বানকারী ঋত্বিক এবং প্রভুতরত্নধারী ; আমি অগ্নির স্তুতি করি।


👫 শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।
আপনার মূল্যবান মতামতের অপেক্ষায়।
নিজে জানুন অন্যকে জানান।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

"সংস্কৃত ভাষা শেখার জন্য সহায়ক কয়েকটি বই"

"সংস্কৃতে কথা বলার হাতে-খড়ি" পর্ব-১

”যে বইটি দিয়ে সংস্কৃত শেখা শুরু করবেন (pdf সহ)“