"সংস্কৃতে কথা বলার হাতে-খড়ি" পর্ব- ২
পর্ব- ২
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ব্যবহৃত কিছু ক্রিয়ার সংস্কৃতে প্রথম পুরুষের একবচনের রূপ দেওয়া হলো। যা দিয়ে কর্তা প্রথম পুরুষের একবচন হলে বাক্যগঠন করা যাবে।
উদাহরণ হিসেবে একটি বাক্য দেখানো হলো -
সীতা পঠতি- সীতা পড়ছে।
এখানে "সীতা" শব্দটি উক্ত বাক্যের কর্তা যা প্রথম পুরুষ এবং একচন তাই এই কর্তার ক্রিয়া "পড়ছে" এর সংস্কৃতরূপ হয়েছে- পঠতি। একইভাবে কর্তা যদি প্রথম পুরুষ ও একবচন হয় তবে নিচের ক্রিয়ারূপ বা ধাতুরূপগুলো ব্যবহার করা যাবে।
গচ্ছতি- যায়
আগচ্ছতি - আসে
পঠতি- পড়ে
লিখতি- লেখে
হসতি- হাসে
খাদতি- খায়
পিবতি- পান করে
চলতি- চলে
ধাবতি- দৌড়োয়
গায়তি- গান গায়
ক্রীড়তি- খেলে
পততি- পড়ে
ভ্রমতি- বেড়ায়
নয়তি- নেয়
আনয়তি- আনে
মিলতি- মেলে
দদাতি- দেয়
বদতি- বলে
তিষ্ঠতি- থাকে
উত্তিষ্ঠতি- ওঠে
উপবিশতি- বসে
পশ্যতি- দেখে
ক্রীণাতি-কেনে
পৃচ্ছতি- জিজ্ঞাসা করে
জানাতি- জানে
ত্যজতি- ত্যাগ করে
ইচ্ছতি- ইচ্ছা করে
বসতি- বাস করে
ক্রন্দতি- কাঁদে
ভবতি- হয়
অস্তি- আছে/হয়
স্পৃশতি- স্পর্শ করে
ক্ষিপতি- ছোঁড়ে
করোতি- করে
শৃণোতি- শোনে
শক্নোতি- পারে(সক্ষম)
প্রাপ্নোতি- পায়
স্বীকরোতি- গ্রহণ করে
দর্শয়তি- দেখায়
বাদয়তি- বাজায়
চিন্তয়তি- চিন্তা করে
পীড়য়তি- জ্বালাতন করে
তাড়য়তি- মারে
সূচয়তি- জানায়
চোরয়তি- চুরি করে
স্থাপয়তি- স্থাপন করে
প্রক্ষালয়তি- ধোয়
উদ্ঘাটয়তি- খোলে
পিদধাতি- বন্ধ করে
প্রজ্বালয়তি- জ্বালে
নির্বাপয়তি- নেভায়
শ্রাবয়তি- শোনায়
রচয়তি- রচনা করে
পূজয়তি- পূজা করে
মার্জয়তি- মার্জনা করে
চিনোতি- তোলে
👫 শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন।
আপনার মূল্যবান মতামতের অপেক্ষায়।
নিজে জানুন অন্যকে জানান।
পরিশেষে সবাইকে ধন্যবাদ।
লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
উত্তরমুছুন